|
.
|
প্রাচীন মিশরের অনেক লিপিতেই এই উড়ন্ত চাকতির উল্লেখ আছে। তাদের মধ্যে একটি বেশ উল্লেখযোগ্য , সেটি হচ্ছে মিশরের অষ্টাদশ রাজবংশের তৃতীয় ফারাও টুথমোজ এর একটি লিপি। ফারাও শীতের তৃতীয় মাস, এবং দিবসের ষষ্ঠ ঘণ্টায় আকাশে কিছু অদ্ভুত দর্শনের উড়ন্ত অগ্নি গোলক দেখতে পান বলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এটি খ্রিস্টের জন্মের ও প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বের ইতিহাস। এর পরেও বহুবার ইউ.এফ.ও এর দর্শনের কথা শোনা যায়। তবে বর্তমান পৃথিবীর ইতিহাস অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউ.এফ.ও দর্শন এর তারিখ ১৫৬১ সালের ১৪ ই এপ্রিল। যা দেখা যায় জার্মানির নোরেমবার্গ এ।
সুপ্রাচীন অতীত ইতিহাসের পাতা উল্টিয়ে আমরা গেল ৩০-৪০ বছরের ইতিহাসের দিকে একটু চোখ বুলাই চলুন।
হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়া এর ঘটনা: ১৯৮৭ সাল। হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়া এর একটি ছোট ,শান্ত , ছিমছাম শহর। WYVE নামের একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করেন ড্যানি গরডন নামের এক যুবক। প্রতি রাতের মতো রেডিও বার্তা চেক করতে যেয়ে তিনি বেশ কিছু অস্বাভাবিক রিপোর্ট পান। এই রিপোর্ট কারীদের মধ্যে তিন জন ছিলেন আবার শেরিফ। তারা সবাই হোয়াইটভিল এর আকাশে একগুচ্ছ অদ্ভুত আলো দেখতে পান বলে দাবী করেন। ড্যানি প্রথমে এটি হেসে উড়িয়ে দিলেও মুহূর্তের মধ্যেই হোয়াইটভিল থেকে আরও অনেক তাদের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন যে এটি তাদের চোখে পড়েছে।
ড্যানি এটিকে ভার্জিনিয়া এয়ার বেস এর কোন এক্সপেরিমেন্ট ভাবলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়ে দেন , সে রাতে এমন কিছু পরীক্ষা করা হয়নি।
ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার মনেই একটা খটকা তৈরি করে। এর প্রায় দু সপ্তাহ পর, ড্যানি এবং তার বন্ধু রজার হল দুজনেই খুব কাছে থেকে ইউ.এফ.ও দেখতে পান বলে জানান।
|
.
|
ঠিক ততো দ্রুতই আমাদের থেকে দূরে চলে গেলো, এবং একটা সময় মিলিয়ে গেলো। ”
এ ঘটনার তিন মাসের মধ্যেই প্রায় শতাধিক লোক ইউ.এফ.ও গুলোকে বার বার দেখতে পান। কয়েকটি ছবি ও তোলা হয় যার মধ্যে এগুলো উল্লেখযোগ্য হোয়াইটভিল এর এই অদ্ভুত ঘটনার কোন ব্যাখ্যাই পায়নি হোয়াইটভিলবাসী।
ফিনিক্স রহস্যঃ মার্চ ১৩, ১৯৯৭ এর রাত। অ্যারিজোনা এর অধিবাসী Michael Krzyston এর অপটু লেন্স এ ধরা পড়লো “v” আকৃতির এক অদ্ভুত আলোক গুচ্ছ। শুধু Krzyston ই নন, অ্যারিজোনার কমপক্ষে হাজার খানেক মানুষ সে রাতে এক ই আলো দেখেছেন এবং এগুলো যে ইউ.এফ.ও, এ সম্পর্কে তারা প্রায় নিঃসন্দেহ ।
|
.
|
|
.
|
অবাক হলেও সত্যি ইউ এফ এ পৃথিবীর বিশেষ কিছু অঞ্চলেই বেশি যাতায়ত করে যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসে ইউএসএ বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম। এছাড়া মেক্সিকো,আর্জেন্টিনা, ভেনিজুয়েলা,রাশিয়াপর্তুগাল,নেপাল,চীন, সুইডেন কানাডা,যুক্তরাজ্য এসব দেশেও নাকি দেখা গেছে ইউ.এফ.ও। বিজ্ঞনীদের ধারনা এইসব অঞ্চলে এমন কিছু আছে যার টানে বার বার ওইসব স্থানে আগমন ঘটে ইউ.এফ.ও এর। অনেকে আবার দাবী করছেন ইউ.এফ.ও চড়ে ভিন গ্রহবাসীরা আসে পৃথিবী থেকে পানি,ইউরেনিউম ইত্যাদি নিয়ে যেতে। তবে মানুষ ও যে নিয়ে যায়নি তা কিন্তু নয়। ইউ.এফ.ও পৃথিবী থেকে বিভিন্ন সময় মানুষকেও ধরে নিয়ে গেছে বলেও বিজ্ঞানীরা ধারনা করে থাকেন। এ সম্পর্কে যথেষ্ট প্রমাণ ও আছে তাদের কাছে।
অপেক্ষা করতে থাকেন হয়ত কোন একদিন আপনার সামনেও এসে হাজির হবে ইউএফও। তখন নাহয় সুযোগ বুঝে দেখা সাক্ষাতটা করে ফেলবেন ভিন গ্রহবাসী এলিয়েনদের সাথে। যদি কোন সুন্দরী এলিয়েনকে মনে ধরে প্রপোজটাও করে ফেলতে পারেন। বলা তো যায়না যদি তার ও আপনাকে মনে ধরে যায় তখন ?









